নিধু পাল
সঞ্জিত দাস
নিধুবাবু গাছ কিনে রেখেছিল বর্ষায়
দু বছর বাদ এসে শুধু গর্জায়---
‘ ভরা বাগান খালি কেন,গাছ কোথায়?
কোন চোর চুরি করে রেখেছে স্ব-কব্জায়।
খুঁজে পেলে তার আর নেই ক্ষমা,
প্রতিটি কাঠের কণা দিতে হবে জমা।’
অশ্লীল ভাষাসহ বলে যায় বারবার
আমান্য হলে হবে তার ধ্বংস সংসার।
অভিসন্ধি তার মনে করা খোঁজ অনুসন্ধান
যদি মেলে চোরেদের সঠিক পরিসংখ্যান।
পাশাপাশি আছে যারা তারা নাকি চোর
গুনে গুনে ওয়ান্ টু থ্রি ফোর।
এই বলে যেতে চায় সে বাড়ি ফিরে
বেরিয়ে বাড়ির লোক তাকে এসে ঘেরে।
তুমুল ঝগড়া হয় পাড়া জাগে চিৎকারে
ছোট থেকে হয়ে ওঠে বড়ো আকারে।
ঝড়ে ভেঙে গাছগুলি পড়ে যায় ঘরে
তখন পড়েনি সাড়া নিধু পালের হাড়ে।
গ্রামবাসী গাছ কেটে তাই করে সাফ
নিধুবাবুর বুকে জমে আজ তাই তাপ।
করাৎ হাতে মারতে আসে তেড়ে
কেটে ছুঁড়ে ফেলবে বলে ভাগাড়ে।
এই নিয়ে বচসা জমে উঠে খুব
দ্যাখোনি যারা বুঝবে না তার রূপ।
No comments:
Post a Comment