@বিষয় -- বিতর্ক
@বাংলা সাহিত্যে ফেসবুকের ভূমিকা
@ ক.বাংলা সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে
@খ.বাংলা সাহিত্যকে অবলুপ্তির পথে নিয়ে চলেছে
@ক@
প্রত্যেকটি মানুষই সুযোগ খোঁজে,নিজের প্রতিভাকে মেলে ধরতে চায়; আড়ালে থাকা হৃদ কথন প্রকাশের জন্যে উন্মুখ থাকে,কিন্তু সে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হয়।
পুরাকালে এমত মাধ্যম ছিল না,ফলত অনেক কুঁড়ি হারিয়ে ফেলেছে তার পথ! আজ তার সময় এসেছে এগোনোর।
সুযোগ পেয়েছে সুযোগহীনেরা -- তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ফেসবুক।
সাহিত্যের অঙ্গনে উঠে আসছে অনেক সুন্দর সৃষ্টি, পাচ্ছে পরিশ্রমের যথার্থ ফল। প্রত্যেকটি সাহিত্যিকের লেখাই ত আর নোবেল পায় না,পায় না সঠিক সম্মান।
তবে দু এক জনের জন্যে সকলকে দোষারোপ করা বোধহয় ঠিক নয়; অনেক সাহিত্যিক উঠে আসছে ফেসবুক থেকে,আমারা যে আধুনিক হচ্ছি এটা তো মানতেই হবে,চলার পথে ধরনের যে হেরফের হবে এটাই তো স্বাভাবিক।
অনেক লেখাই প্রাণ ভরিয়ে তোলে,মুগ্ধ করে, এগুলি কি অবলুপ্তির দৃষ্টান্ত? না এগিয়ে চলার?
অনেকে জ্ঞানী মানুষ রয়েছেন সেই মানুষের পাশে যারা সাহিত্য কে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।offline সংগঠন এর পাশাপাশি online সংগঠন সৃষ্টি করেছে একই সংস্থা,শুধুই like এবং comments এর জন্য কি?সম্মাননা স্মারক কি ফালতু? তাহলে যারা দিচ্ছেন এই সম্মাননা তারাও কি ফালতু? নূতন কুঁড়ি বিকাশের অভিপ্রায়ে নয় কি? সাহিত্য কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা নয় কি? যান্ত্রিক গোলযোগে হয়তো তারা কিছু ভ্রান্তি করে বসেছে,কিন্তু তাই বলে কি তাদের চেষ্টাটা বৃথাই?
নীল ছবির শ্রীৎকার না শুনে,ভাবছে,লিখছে posting করছে ফেসবুকে, এটা কি সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রমাণ নয়?
মানছি সকলের লেখা সঠিক নয়,যতিচিহ্ন থেকে ভাষার,গুরুচণ্ডালী দোষ থেকে বিবিধ, সহজে সোনা মেলে কি? ভুলত্রুটিই সঠিক পথ দ্যাখায়,তাই নয় কি?
তাছাড়া এটা তো আমরা জানি যে,মানুষ যন্ত্র চালায় যন্ত্র মানুষকে নয়; তাই আমাদের নিজস্ব পরিবর্তনের প্রয়োজন,সৃষ্টি এবং অবলুপ্তি সব আমাদের হস্তগত।
No comments:
Post a Comment